মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

দর্শনীয় স্থান

চাঁপাই জামে মসজিদ:

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চাঁপাই গ্রামে প্রাচীন একটি মসজিদ রয়েছে। এটি ৮৯৩ হিজরীতে নির্মিত হয় বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। আলী ওয়াজ খিজির খাঁন নামক এক ব্যক্তি মসজিদের নির্মাতা বলে মসজিদ গাত্রে প্রাপ্ত লিপি থেকে জানা যায়।

 

 

মহারাজপুর জামে মসজিদ

 

মোগল আমলের সহাপত্যকলার নিদর্শন সমৃদ্ধ সুন্দর লতা-পাতার কারতকার্য খোদিত একটি প্রাচীন মসজিদ বর্তমান মহারাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এখনো বিদ্যমান।

 

 

মাঝপাড়া জামে মসজিদ:

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের পার্শ্বে মাঝপাড়া গ্রামে গম্বুজ বিশিষ্ট একটি প্রাচীন মসজিদ রয়েছে। এটি মাঝপাড়া বালিগ্রাম মসজিদ নামে পরিচিত। আনুমানিক ১৭৭৫ খ্রিঃ মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল বলে জানা যায়।

 

 

হযরত বুলন শাহ (রাঃ) মাজার:

 

পীরশাহ আব্দুল মসহুদ নবাবগঞ্জ সদরের আমনুরায় ইসলাম প্রচার করেন। পীরের অপর নাম হযরত বুলন শাহ। আমনুরার পূর্বনাম ছিল ঝিলিম। আমনুরায় দীঘির পাশের্ব এই কামেল পীরের সমাধি রয়েছে।

 

 

সর্ববৃহৎ দূর্গাপুজা (বাইশ পুতুল):

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় ঠাকুরবাড়ী, জোড়া মঠ, রামসীতা মন্দির প্রভৃতি সহাপত্যকলার নিদর্শন আজও টিকে আছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে অত্র অঞ্চলের সর্ববৃহৎ কালিপুজা হয়ে থাকে যা “বুড়াকালি’’ নামে পরিচিত। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দূর্গাপুজা হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারঘরিয়া গ্রামে। এখানে সাহেবদের কার্তিক, গনেশ, মীবসহ ২১টি মুর্তি পরিবেষ্টেত দেবী দূর্গা সম্বলিত এ সর্ববৃহৎ দূর্গাপুজা সবার কাছে বাইশপুতুল নামে পরিচিত। উত্তু অনুষ্ঠানে হিন্দু মুসলিম সকল ধর্মের লোকের সমাগম হয়। যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি বিরল দৃষ্টামত।

 

 

মহারাজপুর মঞ্চ:

 

একসময় অত্র এলাকায় বিভিন্ন গোষ্ঠি তাদের সাংস্কৃতিক কার্যত্রুম সহায়ী মঞ্চে পরিবেশনার মাধ্যমে উপসহাপন করত। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মরহুম সদর আহম্মদ মিয়ার বাড়ীর আঙিংনায় মহারাজপুর মঞ্চটি আজও বিদ্যমান।

 

 

বারঘরিয়া মঞ্চ:

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বর্ধিষ জনপদ বারঘরিয়া বাজারের নিকটে জমিদারবাড়ীর সামনে পাকা সুসজ্জিত মঞ্চটি এখনো চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের প্রাক্তন মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ হারুনুর রশীদ-এর পৃষ্ঠপোষকতায় মঞ্চ ২টি সংস্কারের কাজ হাতে নেয়া হয়। এ মঞ্চ ২টিসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় ভাবে গম্ভীরা, আলকাব, মেয়েলীগীতি, খ্যামটা গান পরিবেশিত হয়। লোকজ সংস্কৃতির এক সমৃদ্ধ উপাদনের ধারক এই চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

 

 

জোড়া মঠ:

 

বিসতৃত বরেন্দ্র ভূমি অধ্যুষিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে স্বতমএধর্মী। এখানকার মানুষ আবহমানকাল থেকে প্রকৃতির সংগে সংগ্রাম করে টিকে আছে। পদ্মা-মহানন্দা-পাগলা নদীর করাল গ্রাসে লক্ষ লক্ষ মানুষ বাড়ী-ঘর, জায়গা-জমি হারিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের হুজরাপুরে দুটো মঠ বা মন্দির পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। তাই এলাকাবাসীর কাছে এটি “জোড়ামঠ’’ নামে পরিচিত। নবাবগঞ্জ পূর্বে হিন্দুপ্রধান এলাকা ছিল, তখন প্রায় প্রত্যেক পাড়ায় বা গ্রামে বিভিন্ন আকারের মঠ গড়ে উঠেছিল। মঠ দুটি মহানন্দা নদীর তীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে।