Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

শিরোনাম
লাহারপুর তাঁতীপাড়া
স্থান
লাহারপুর, বারঘরিয়া
কিভাবে যাওয়া যায়

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা হতে বিশ্বরোড দিয়ে বাস ট্রাক রিক্সা যোগে বারঘরিয়া ইউনিয়নের তাঁতীপাড়া (লাহারপুর) যাওয়া যায়।

যোগাযোগ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা হতে বিশ্বরোড দিয়ে বাস ট্রাক রিক্সা যোগে বারঘরিয়া ইউনিয়নের তাঁতীপাড়া (লাহারপুর) যাওয়া যায়
বিস্তারিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তাঁত শিল্পে চলছে দুর্দিন।ঈদ সামনে রেখে কাপড় তৈরির ভরা মৌসুমেও দক্ষ কারিগরের অভাবে জেলার প্রায় আড়াই হাজার তাঁতের এক-তৃতীয়াংশ বন্ধ রয়েছে।

কারিগর ও তাঁত মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,উপজেলার তাঁত পল্লিগুলোর মধ্যে হরিনগর, লাহারপুর ও বহরম অন্যতম।এর মধ্যে সবচেয়ে বড় হরিনগরে আছে এক হাজার ২০০টি তাঁত।সব মিলিয়ে উপজেলায় প্রায় আড়াই হাজার তাঁত রয়েছে। লাহারপুর-হরিনগর ক্ষুদ্র রেশম তাঁতশিল্প সমিতির সভাপতি আবদুস সালাম জানান, হরিনগর, লাহারপুর ও বহরম—এ তিন পল্লিতে প্রায় দুই হাজার তাঁত রয়েছে।কারিগরের অভাবে ৩০-৪০ শতাংশ তাঁত বসে গেছে।দক্ষ কারিগরের অভাবে উন্নতমানের ভেলভেট পাড়, তেড়চিসহ নানা উন্নত জাতের শাড়ি তৈরি হয় না।পাঁচ থেকে আট হাজার টাকা দামের শাড়ি তৈরি করে কারিগরেরা মজুরি পান মাত্র ২০০ টাকা।অনেক দিন পর এ বছরই একটিমাত্র ভেলভেট পাড়ের শাড়ি তৈরি হয়েছে।নতুন করে তাঁতের কাজ কেউ শিখছে না।অথচ একসময় তাঁতের চেয়ে কারিগরের সংখ্যা ছিল দ্বিগুণ।ক্রমেই কারিগর কমে যাওয়ার ব্যাপারটি রেশম তাঁত শিল্পের জন্য একটি অশনি সংকেত। জানা যায় এখানে রেশম সিল্কের বেনারসি, কাতানের কারিগরের অভাবে তাঁর ৪৭টি তাঁতের মধ্যে ১৭টি বন্ধ রয়েছে।তাঁদের মতো মহাজন তাঁতিরা কিছুটা ভালো থাকলেও মোটেও ভালো নেই।

তবে আশার কথা হচ্ছে যে বর্তমান সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী  মির্জা আজম  এমপি গত ২০/০৮/২০১৪ লাহারপুর তাঁতীপাড়া পরিদর্শন করেন এবং তাঁত নিয়ে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন চিন্তা ভাবনার কথা ব্যক্ত করেন। প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম  বলেন, বর্তমান সরকার শিল্পের বিকাশের লড়্গে নিরলসভাবে কাজ করেছে চলেছে। তাঁত শিল্পের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে নানান পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি, আগামী বাজেটে বিদেশী সুতা আমদানীর উপর কর বৃদ্ধিরও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেন তাঁত ঐতিহ্যকে যদি আমরা ধারণ করতে পারি তাহলে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ যেমন এর ঐতিহ্য ধারণ করতে পারবে, আর বাংলাদেশ তাতেঁর ঐতিহ্য ধারণ করলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর সে ঐতিহ্য ধারণ করতে পারবে। তাতেঁর ঐতিহ্য আমরা ফিরিয়ে আনবো। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন ১৯৯৫ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর সফরে এসে ক্ষমতায় গেলে তাতেঁর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা তাতেঁর উন্নয়নে কার্যক্রম শুরু করেছি। তিনি সদর উপজেলা হরিনগর, লাহারপুর ও বহরম তাঁত পল্লী ঘুরে দেখেন। সফর কালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন, সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদ, গোলাম মোসত্মফা বিশ্বাস, চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবীর, পুলিশ সুপার বশির আহম্মদ, রেশম বোর্ডের মহাপরিচালক স্বপন চন্দ্র পাল, রেশম বোর্ডের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল হক।